30 March, 2026

রচনা : ছাত্র জীবন

 

ছাত্র জীবন রচনা : শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতিকে আরও সহজ ও কার্যকর করতে নিয়মিত মানসম্মত প্রবন্ধ রচনা প্রকাশ করা হয়। আজকের প্রবন্ধের বিষয় ‘ছাত্রজীবন’, যা মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ভিত্তি গঠনের সময় হিসেবে বিবেচিত। এই সময়েই জ্ঞান অর্জন, নৈতিকতা গঠন এবং ভবিষ্যৎ জীবনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়।

একটি সুশৃঙ্খল ও পরিশ্রমী ছাত্রজীবনই সফল জীবনের চাবিকাঠি। তাই পরীক্ষার জন্য এই বিষয়টি ভালোভাবে অনুশীলন করা অত্যন্ত জরুরি। এই প্রবন্ধটি শিক্ষার্থীদের সহজভাবে বিষয়টি বুঝতে এবং পরীক্ষায় ভালো নম্বর অর্জনে সহায়তা করবে।

     ছাত্র জীবন 

                                                   অথবা, ছাত্রজীবনের দায়িত্ব ও কর্তব্য

সূচনা: বিদ্যাশিক্ষার জন্য শিশুকাল থেকে শুরু করে যে সময়টুকু আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিবাহিত করি তাকেই ছাত্রজীবন বলে। ছাত্রজীবন হচ্ছে জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময়। ভবিষ্যৎ জীবনের সফলতার জন্য এ সময় থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হয়। তা না হলে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছানো যায় না। জীবনে প্রকৃত সফলতা লাভ করতে হলে ছাত্রজীবনকে গুরুত্ব প্রদান করা জরুরি।

ছাত্রজীবনের গুরুত্ব

ভবিষ্যৎ জীবনের সুখ, সমৃদ্ধি ও উন্নতির বীজ ছাত্রজীবনেই বপন করতে হয়। ছাত্রজীবনের সুশিক্ষাই ভবিষ্যৎ জীবনের পাথেয়। আমাদের জীবনে আত্মপ্রতিষ্ঠা ছাত্রজীবনের সাধনার ওপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল।

ছাত্রজীবনের মূল উদ্দেশ্য

সকল ক্ষেত্রেই মানুষ একটি লক্ষ্য নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যায়। তেমনি ছাত্রজীবনেরও একটি লক্ষ্য থাকা প্রয়োজন। শুধুমাত্র পাস করে সনদ অর্জনই যেমন ছাত্রজীবনের একমাত্র লক্ষ্য নয়, তেমনি পরীক্ষায় ভা

লো ফলাফল করলেই ছাত্রজীবনের উদ্দেশ্য অর্জিত হয় না। ছাত্রজীবনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জ্ঞানার্জন। জ্ঞানার্জনের মধ্য দিয়ে মানুষের মনের সকল বন্ধ দুয়ার খুলে যায়। চিত্তের সংকীর্ণতা দূর হয়ে এক উদারনৈতিক চিন্তা-চেতনার অধিকারী হয় সে। আর তখনই সে নিজেকে মহৎ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। নিজেকে ভদ্র, সেবাপরায়ণ, সেবাব্রতী, আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার সাধনাও ছাত্রজীবনের দায়িত্বকর্তব্যের মধ্যে পড়ে। ছাত্রজীবনের মূল লক্ষ্য অর্জনের জন্য কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের প্রয়োজন।

ছাত্রজীবনের কর্তব্য

অধ্যয়ন করাই ছাত্রজীবনের প্রথম ও প্রধান তপস্যা। ছাত্রসমাজই দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার। এজন্য ছাত্রদের অন্যতম কাজ হলো শিক্ষা-দীক্ষায় সমৃদ্ধ ও আদর্শ জীবন গঠন করা। ছাত্রসমাজকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে উন্নত এবং শারীরিক শক্তিতে ও মানসিক দক্ষতায় বলীয়ান হতে হবে। যোগ্যতাসম্পন্ন ও চরিত্রবান ছাত্রদের জাতি গঠনে আত্মনিয়োগ করতে হবে।

লক্ষ্য নির্ধারণ

লক্ষ্যহীন জীবন হালবিহীন জাহাজের মতো। ছাত্রজীবনেই জীবনের লক্ষ্য স্থির করতে হবে এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে হবে। লক্ষ্য নির্ধারণ না করলে জীবন উদ্দেশ্যহীন হয়ে যায়। তাই ছাত্রজীবনেই লক্ষ্য নির্ধারণ করে সে অনুযায়ী কাজ করা উচিত।

চরিত্র গঠন

চরিত্র মানবজীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। ছাত্রজীবনই চরিত্র গঠনের উপযুক্ত সময়। ছাত্রদের চরিত্র গঠনে বিশেষ মনোযোগী হতে হবে। সৎ পথে চলা, সত্য কথা বলা, লোভ-লালসা থেকে বিরত থাকা, খারাপ কাজ ও কুসঙ্গ থেকে দূরে থাকা, ছোটদের স্নেহ করা ও বড়দের শ্রদ্ধা করা ইত্যাদি ভালো গুণগুলো ছাত্রজীবনেই চর্চা করতে হবে।

খেলাধুলা ও স্বাস্থ্য গঠন

পড়াশোনার পাশাপাশি শরীর গঠনের প্রতিও ছাত্রদের মনোযোগী হতে হবে। স্বাস্থ্য মানবজীবনের অমূল্য সম্পদ। সুস্থ শরীরেই সুস্থ মনের বাস। তাই ছাত্রজীবনে নিয়মিত খেলাধুলার মাধ্যমে স্বাস্থ্য গঠনে সচেষ্ট হতে হবে।

পিতামাতা ও গুরুজনদের প্রতি কর্তব্য

পিতামাতা ও গুরুজনদের যথার্থ সম্মান প্রদর্শন করা ছাত্রসমাজের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মনোভাব তাদের নৈতিক দিক থেকে আদর্শবান করে তোলে। গুরুজন যা নিষেধ করেন তা না করাও তাদের কর্তব্য। বড়দের মনে কষ্ট হয় এমন কাজ থেকে তাদের বিরত থাকতে হবে। কেননা বড়দের আশীর্বাদ তাদের চলার পথের পাথেয়। পিতামাতা যেন তাদের কোনো কাজে কষ্ট না পায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পিতামাতার আশীর্বাদই একজন সন্তানের সবচেয়ে বড় সম্পদ। পিতামাতার আশীর্বাদ সন্তানকে উৎকর্ষের শীর্ষে পৌঁছে দেয়। তাই তাদের এ সকল বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।

সৃজনশীল কর্মকাণ্ড অংশগ্রহণ

ছাত্রদের মানসিক বিকাশে সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এক্ষেত্রে যার যে কাজ ভালো লাগে সে কাজে মনোযোগ দিতে হবে। বিতর্কচর্চা, আবৃত্তিচর্চা, বই পড়া, ভ্রমণ, ছবি তোলা, বিজ্ঞানচর্চা, লেখালেখি ইত্যাদির মাধ্যমে নিজের বুদ্ধিবৃত্তিকে আরও তীক্ষ্ন করে তোলা সম্ভব।

সামাজিক দায়িত্ব

সমাজের সবচেয়ে তরুণ ও সচেতন অংশ হচ্ছে ছাত্রসমাজ। পুরাতনকে, মিথ্যাকে, জরা-জীর্ণতাকে মুছে ফেলে, প্রাচীন সংস্কার ও গোঁড়ামিকে ঝেড়ে ফেলে একটি শোষণমুক্ত সুন্দর সমাজ গড়ার দায়িত্ব আজকের ছাত্রসমাজের। ছাত্ররা তাদের সুন্দর মন এবং সুকুমার বৃত্তির অভিনব প্রকাশের সাহায্যে সমাজের পঙ্কিলতা দূর করতে পারে। বিশ্বমানবতা এবং মানবিকতার বিজয় পতাকা ছাত্রদেরই হাতে। তারা তা সমাজের বুকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। চির বঞ্চিত, বুভুক্ষু অনাহার ক্লিষ্ট মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তারা শোনাতে পারে সান্ত্বনার বাণী। আশাহীন বুকে জাগাতে পারে আশা। ভাষাহীন বুকে দান করতে পারে প্রাণের স্পন্দন। সভা-সমিতি, সংঘ, স্কাউটিং এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবামূলক ফোরামের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা এ দায়িত্ব পালন করে থাকে।

উপসংহার

ছাত্রজীবনই জীবনের সবেচেয় গুরুত্বপূর্ণ সময়। তাই এ সময় থেকেই ছাত্রদের নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠতে হবে। ছাত্ররাই ভবিষ্যতে দেশের সকল ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবে। তাই নিজেদের উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে পারলেই দেশ ও জাতির জন্য তারা গৌরব বয়ে আনতে সক্ষম হবে।

এসএসসি বিজ্ঞান সাজেশন ২০২৬

 নবম ও দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ে চৌদ্দটি অধ্যায় থাকলেও শর্ট সিলেবাসের আওতায় রয়েছে মাত্র ৭টি অধ্যায়। অর্থাৎ এসএসসি ২০২৫ পরীক্ষায় এ ৭টি অধ্যায় থেকেই প্রশ্ন করা হবে। তাই এ ৭টি অধ্যায়ের ওপর প্রস্তুতি নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তোমাদের যে ৭টি অধ্যায় থেকে বিজ্ঞান বিষয়ের প্রশ্ন করা হবে,

নিচে এসকল অধ্যায় থেকে ২টি করে নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন দেওয়া হল।

  • ১. নিচের ছকটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: 

চার্ট-A – মাছ, মুরগি, ডাল
চার্ট-B – আলু, শাকসবজি, দুধ
চার্ট-C – মাখন, বাদাম, ডিমের কুসুম

ক. টক্সিন কাকে বলে?
খ. চিকেন রোল স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কেন?
গ. প্রাণিদেহ গঠনে চার্ট-A এর গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।
ঘ. চার্ট-B এবং C এর খাদ্যের উৎসসমূহ তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

২. নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই উদ্দীপকটি পিডিএফ উত্তরমালায় দেখো।

ক. ETP কী?
খ. পানির মানদ- বলতে কী বুঝ?
গ. উদ্দীপকে উৎপাদিত পদার্থটির ঘনত্ব কীভাবে তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উৎপাদিত পদার্থটি নিরপেক্ষ হলেও এর কিছু নিজস্ব ধর্ম আছে- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

৩. নিচের ছকটি লক্ষ্য কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
P- রক্তরস
Q- রক্তকণিকা
R- রক্তের গ্রুপ

ক. সিরাম কী?
খ. উচ্চ রক্তচাপ বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে নির্দেশিত R এর দাতা ও গ্রহীতার মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন কর।
ঘ. উদ্দীপকের P ও Q উভয়ে একই কলার অন্তর্ভুক্ত হলেও এদের কাজ ভিন্ন- বিশ্লেষণ কর।

৪. মারিয়া প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। সে চশমা ব্যবহার করে। সে বলে তার চশমার ক্ষমতা -0.25D.

ক. লেন্স কী?
খ. চশমার ক্ষমতা 2D বলতে কী বোঝ?
গ. মারিয়ার চশমার ব্যবহৃত লেন্স কোন প্রকৃতির? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ. মারিয়ার চোখে যে ধরনের ত্রুটি দেখা দিয়েছে তার কারণ ও প্রতিকার ব্যবস্থা বিশ্লেষণ কর।

৫. দৃশ্যকল্প-১: সজল এমন একটি কারখানায় কাজ করে যেখানে কোনো নিকৃষ্ট ধাতুর উপর সোনা রুপার মতো মূল্যবান ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়।

দৃশ্যকল্প-২ : সুমাইয়া রাতে পড়তে বসলে লক্ষ করে তার এলাকায় প্রায়ই কিছু সময়ের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। তাছাড়া সে আরো লক্ষ করল, তাদের পাশের বাড়ির লোকেরা মেইন লাইন থেকে তার টেনে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, যার হিসাব মিটারে উঠে না।

ক. তড়িৎ ক্ষমতা কাকে বলে?
খ. বৈদ্যুতিক মিস্ত্রিরা পায়ে শুষ্ক জুতা পরিধান করে কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ. সজলের কারখানায় কিভাবে প্রলেপ দেওয়ার কাজটি করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. সুমাইয়ার লক্ষ করা প্রক্রিয়া দুটি কী আমাদের সামাজিক জীবনকে প্রভাবিত করে? বিশ্লেষণ কর।

৬. নিচের চিত্রটি লক্ষ্য কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই উদ্দীপকটি পিডিএফ উত্তরমালায় দেখো।

ক. টেস্টিং সল্ট কাকে বলে?
খ. প্রসাধন সামগ্রীতে pHএর মান নির্দিষ্ট থাকা গুরুত্বপূর্ণ কেন?
গ. ভোলতা ফুল ফুটালে সৃষ্ট যন্ত্রণা নিবারণে ১নং চিত্রের বিকারে অবস্থিত তরল পদার্থযুক্ত মলম কার্যকর কেন? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. কৃষিক্ষেত্রে ১ ও ২নং চিত্রে বিকারে অবস্থিত পদার্থের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

৭. নিচের চিত্রটি লক্ষ্য কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই উদ্দীপকটি পিডিএফ উত্তরমালায় দেখো।

ক. Top Soil কী?
খ. জৈব পদার্থকে মাটির জীবন বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকের ‘A’ বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ. বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ‘B’ এর প্রভাব বিশ্লেষণ কর।

৮. নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
A- পলিথিন, রাবার, প্লাস্টিক
B- পশম, সুতা

ক. পলিমার কী?
খ. থার্মোপ্লাস্টিক কী? ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপক A এর উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপক A ও B এর উপাদানগুলোর মধ্যে কোনগুলো। পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ? তুলনামূলক আলোচনা করে। তোমার মতামত দাও।

৯. আমরা যে খাবার খাই পুষ্টিগুণ অনুযায়ী তার তিনটি মুখ্য উপাদান এবং তিনটি সহায়ক উপাদান আছে। যেসকল খাদ্যের তাপ উৎপন্ন করার বৈশিষ্ট্য আছে তার প্রধান উপাদান আর অন্যগুলোর দেহের ভারসাম্য ও সমন্বয়ের বৈশিষ্ট্য আছে।

ক. পুষ্টি কী?
খ. সুষম খাদ্য বলতে কী বুঝায়?
গ. উদ্দীপকের ১ম শ্রেণির খাদ্য বর্ণনা কর।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত দুই ধরনের খাদ্যের মধ্যে কার্যিক তুলনা কর।

১০. নাতাশার রক্তে শ্বেত কণিকার পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে। হঠাৎ আঘাত প্রাপ্ত হওয়ায় সে লক্ষ্য করল যে তার কাটা স্থানের রক্ত সহজে জমাট বাঁধছে না। তার রক্তের গ্রুপ O+।

ক. Rh ফ্যাক্টর কি?
খ. নাতাশাকে ইউনিভার্সেল ব্লাড ডোনার বলা হবে কেন ব্যাখ্যা কর।
গ. নাতাশার রক্তে বেড়ে যাওয়া কণিকাটির জন্য কি কি রোগ হতে পারে ব্যাখ্যা কর।
ঘ. নাতাশার কাটা স্থানে ঐ অবস্থার জন্য একটি রক্ত কোষ জড়িত- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ কর।

১১. নিচের বিক্রিয়াটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

A + B → “N” + H2O

ক. “শেভিং ফোম” এর সংকেত লেখ।
খ. পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCI) প্রয়োজন পড়ে কেন?
গ. উদ্দীপকের বিক্রিয়াটি আমাদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে- ব্যাখ্যা কর।
ঘ. কৃষিক্ষেত্রে এবং শিল্পকারখানায় ‘N’ ধরনের যৌগের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

14 September, 2025

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫: গণিত বিষয়ের প্রশ্নের ধরন ও নম্বর বণ্টন প্রকাশ।

 


জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ এর বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নপত্রের কাঠামো ও নম্বর বণ্টনের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এই ঘোষণায় গণিত বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

২০২৫ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার মূল কাঠামো

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত এই বৃত্তি পরীক্ষায় মোট ৪টি বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে ১০০ নম্বর করে পরীক্ষা হবে। অন্যদিকে বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। এভাবে সর্বমোট ৪০০ নম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষার জন্য ৩ ঘন্টা সময় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় প্রদান করা হবে।

গণিত বিষয়ের বিশেষ নম্বর বিন্যাস

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ এ গণিত বিষয়ের প্রশ্নপত্র তিনটি ভিন্ন ধরনের প্রশ্নের সমন্বয়ে গঠিত হবে। এই বিন্যাসটি শিক্ষার্থীদের সার্বিক দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য বিশেষভাবে পরিকল্পিত।

সৃজনশীল প্রশ্নের জন্য ৫০ নম্বর বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই ধরনের প্রশ্নে শিক্ষার্থীদের চিন্তাভাবনা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা পরীক্ষা করা হবে। সংক্ষিপ্ত উত্তরের প্রশ্নে ২০ নম্বর থাকবে, যা মধ্যম পর্যায়ের গাণিতিক সমস্যা সমাধানের জন্য নির্ধারিত। আর বহুনির্বাচনি প্রশ্নে ৩০ নম্বর বরাদ্দ রয়েছে, যা মৌলিক গাণিতিক জ্ঞান যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হবে।

পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা ও নিয়মাবলী

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, ৮ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ এই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। এই নির্বাচন ৭ম শ্রেণির সব প্রান্তিকের সামষ্টিক মূল্যায়নের ফলাফলের ভিত্তিতে করা হবে।

বৃত্তির ধরন দুইটি ভাগে বিভক্ত – ট্যালেন্টপুল বৃত্তি এবং সাধারণ বৃত্তি। সব ধরনের বৃত্তির ৫০ শতাংশ ছাত্র এবং ৫০ শতাংশ ছাত্রী কোটায় বিভক্ত থাকবে। তবে নির্ধারিত কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে ছাত্রদের বৃত্তি ছাত্রী এবং ছাত্রীদের বৃত্তি ছাত্রদের দ্বারা পূরণ করা যাবে।

শিক্ষার্থীদের জন্য প্রস্তুতির নির্দেশনা

গণিত বিষয়ে ভালো ফলাফলের জন্য শিক্ষার্থীদের তিনটি ভিন্ন ধরনের প্রশ্নের জন্য আলাদা আলাদা প্রস্তুতি নিতে হবে। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের জন্য মৌলিক সূত্র ও নিয়মাবলী ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে। সংক্ষিপ্ত উত্তরের প্রশ্নে দ্রুত গণনা এবং সঠিক সমাধান উপস্থাপনের দক্ষতা প্রয়োজন।

সৃজনশীল প্রশ্নে সবচেয়ে বেশি নম্বর থাকায় এই অংশে বিশেষ নজর দিতে হবে। গাণিতিক সমস্যা বিশ্লেষণ এবং ধাপে ধাপে সমাধান উপস্থাপনের অভ্যাস করতে হবে। ৮ম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের সব অধ্যায় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে বলে সামগ্রিক প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।

নতুন নীতিমালার গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য

এবারের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালায় কয়েকটি নতুন সংযোজন রয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যদি কোনো শিক্ষার্থী ছাড়পত্র নিয়ে অন্য বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে থাকেন, তিনিও বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে পূর্ববর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মেধাক্রম বিবেচনা করা হবে।

জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি প্রয়োজন অনুযায়ী অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা পুনঃনির্ধারণ করতে পারবেন। এই নমনীয়তা শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত মান বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

পরীক্ষার সময়সূচি ও প্রস্তুতির পরামর্শ

২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে এই নম্বর বণ্টন কার্যকর হবে। পরীক্ষার তারিখ এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি, তবে সাধারণত ডিসেম্বর মাসে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। শিক্ষার্থীদের উচিত এখনই পরিকল্পিত প্রস্তুতি শুরু করা।

গণিত বিষয়ে ১০০ নম্বরের মধ্যে পাস করতে হলে ৩৩ নম্বর পেতে হবে, তবে বৃত্তি পেতে অনেক বেশি নম্বর প্রয়োজন। প্রতিদিন নিয়মিত অনুশীলন এবং দুর্বল বিষয়গুলোতে বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এবং এনসিটিবির এই যৌথ উদ্যোগ মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করবে এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।



23 August, 2025

শিক্ষক নিয়োগে নেওয়া হবে না নিবন্ধন পরীক্ষা


 বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে আর নেওয়া হবে না শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা। পরিবর্তে সরাসরি নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের এই পরিবর্তন বাস্তবায়নের জন্য একটি নতুন বিধি প্রণয়ন করা হয়েছে, যা বর্তমানে অনুমোদনের প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অনুমোদন মিললে শিগগিরই এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন বিধিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে শূন্য পদের দ্বিগুণসংখ্যক প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষায় (ভাইভা) অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি শূন্য পদ ৫০ হাজার হয়, তাহলে ভাইভায় অংশ নেবেন এক লাখ প্রার্থী। চূড়ান্ত ফলও দেওয়া হবে শূন্য পদের ভিত্তিতে। মোট শূন্য পদের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে প্রার্থীদের বয়স গণনা করা হবে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ অনুযায়ী। বয়স নির্ধারণে আলাদা কোনো তারিখ ধরা হবে না।

এ কারণে, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিনে যদি কোনো প্রার্থীর বয়স ৩৪ বছর ১১ মাস হয়, তিনিও আবেদন করে চাকরির সুপারিশ পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

এদিকে বুধবার (১৩ আগস্ট) ১৯তম শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে আলোচনা করতে সভা ডেকেছিল বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। সংস্থাটির চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম এ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভার বিষয়ে জানতে চাইলে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘১৯তম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে আলোচনা করতে সভা ডাকা হয়েছিল। এ নিয়োগের সিলেবাস, পরীক্ষা পদ্ধতিসহ অন্যান্য বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ কমিটির সুপারিশের আলোকে সব চূড়ান্ত করা হবে।

19 February, 2024

লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জে সম্মিলিত স্মার্ট স্কুলের আয়োজনে কুইজ উৎসব- 2024 উৎযাপন

 গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রি, শনিবার দিনব্যাপী কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে সম্মিলিত স্মার্ট স্কুল” লালমনিরহাটের আয়োজনে এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি কুইজ সোসাইটি এর সার্বিক সহযোগিতায় “শিক্ষাঞ্চল কালীগঞ্জ কুইজ উৎসব- ২০২৪” অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান অতিথি কালীগঞ্জ উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) জনাব ইশরাত জাহান ছনি এ অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন। সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব খুরশীদুজ্জামান আহমেদ ।
দিনব্যপী লালমনিরহাট জেলার ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩০০ জন মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী এই উৎসবে দলীয় ও একক কুইজ পর্বে সরাসরি অংশগ্রহণ করে ।
ঢাকা ইউনিভার্সিটি কুইজ সোসাইটির জেনারেল সেক্রেটারি শোয়াইব রহমান হেড অফ কুইজ উইং এন্ড ট্রেনিং সেক্রেটারি সাদমান মুজতবা রাফিদ, পাবলিক রিলেশন সেক্রেটারি করিম আল জাহিন, কমিউনিকেশন উইং সদস্য, মোঃ হাসান জুবায়ের শুরুতেই সকল অংশগ্রহণকারীকে কুইজ এর আদ্যোপান্ত সম্পর্কে সম্মক ধারণা দেন ও শিক্ষার্থীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়ে বিষয়টিকে সহজ ও সুন্দর করে তোলেন।
এরপর দলীয় ও একক পর্বের লিখিত পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে ৬টি দল স্টেজ পর্বের জন্য নির্বাচিত হয় । স্টেজ পর্বে কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ২টি দল, তুষভান্ডার নছর উদ্দিন সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের ২টি দল ছাড়াও তিস্তা খলিলুর রহমান খাদেম উচ্চ বিদ্যালয় ও গিয়াস উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ১টি করে দল সুযোগ পায়। জমজমাট ও উত্তেজনামূলক বার্জার রাউন্ডে ৪০টি প্রশ্নের উত্তরে চ্যাম্পিয়ন হয় কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মোঃ রাকিবুল ইসলাম রাকিব, ইয়াস মোর্শেদ অমি ও ফাতিন ইসতিয়াক এর দল “কেইউপিয়ান জাদুকর”, ১ম রানার আপ হয় তিস্তা খলিলুর রহমান খাদেম উচ্চ বিদ্যালয়ের মোঃ আব্দুর রউফ, মেহেদি হাসান ও মোঃ মিহাদ ইসলাম এর দল “প্লাটিনাম” ২য় রানার আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের করিম আল শাফিন, নুর আলম সামিন ও এস এম সাফায়েতুল কবির এর দল ড্রিমার্স। কুইজ মাস্টার হিসেবে স্টেজ রাউন্ড পরিচালনা করেন সাদমান মুজতবা রাফিদ।
একক কুইজ প্রতিযোগিতায় সর্বাধিক নম্বর পেয়ে তুষভান্ডার নছর উদ্দিন সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সাদিয়া তাসনিম প্রমি ১ম স্থান, কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এম সাফায়েতুল কবির ২য়, তিস্তা খলিলুর রহমান খাদেম উচ্চ বিদ্যালয়ের মোঃ মিহাদ ইসলাম ৩য়, তুষভান্ডার নছর উদ্দিন সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের কুবরাতুল জামান ৪র্থ, তিস্তা খলিলুর রহমান খাদেম উচ্চ বিদ্যালয়ের মোঃ আব্দুর রউফ ৫ম, তুষভান্ডার রমনী মোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের জুনায়েদ মুরাদ ৬ষ্ঠ, তুষভান্ডার নছর উদ্দিন সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের তাহরিমা আক্তার তিশা ৭ম, দেবপর্না রায় দ্যুতি ৮ম, রাফিয়া ইসরাত ৯ম ও কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ওয়াসিফ ১০ম স্থান লাভ করে।

31 January, 2023

মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত


মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটির আয়োজনে দিনব্যাপী মাইক্রোসফট কর্তৃক নির্বাচিত ২০১৫-২০২৩ সাল পর্যন্ত ৬৩ জন ব্যক্তিকে আন্তর্জাতিক মাইক্রোসফট উদ্ভাবনী শিক্ষাবিদ বিশেষজ্ঞদের অ্যাওয়ার্ড ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

গত ২৮ জানুয়ারি শনিবার দিনব্যাপী রাজধানীর মহাখালী রেলগেট এস.কে.এস শপিং মল তৃতীয় তলায় আমান ফুড ভেলি বুফে রেঁস্তরায় এন্ড পার্টি সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক (গ্রেট-১) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. বিকর্ণ কুমার ঘোষ। শিক্ষক জাহানারা হাসান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মাইক্রোসফটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ইউসুপ ফারুক।

এসময় মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর শিক্ষাবিদ বিভাগের পক্ষে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন আন্তর্জাতিক বিশেষ অতিথি স্ট্রাটেজি প্রধান সোনজা ডেলাফোস, এডুকেশন প্রোগ্রাম, মাইক্রোসফট, অ্যানি টেলর, এশিয়া প্যাসিফিক, এডুকেশন অ্যাডভাইজার, মাইক্রোসফট, এবং কিং সং লি এডুকিনিট মাইক্রোসফট পার্টনার এশিয়া প্যাসিফিক প্রোগ্রাম কো- অর্ডিনেটর মাইক্রোসফট।



এছাড়া অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মাইক্রোসফট উদ্ভাবনী শিক্ষাবিদ বিশেষজ্ঞ হিসাবে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত ৬৩ জন রির্সোস পারসোন অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করেছেন জোতিশ চন্দ্র রায়, সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মো: আব্দুস ছালাম এবং মাওলানা নাজমুল হক।



মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি কান্ট্রি ইভেন্ট ম্যানেজার মোঃ ওহিদুজ্জামান মুন্সী বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুসারে ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ লক্ষ্যমাত্রা গড়ার প্রত্যয়ে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল থেকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মাইক্রোসফট উদ্ভাবনী শিক্ষাবিদ বিশেষজ্ঞ হিসাবে নির্বাচিত সকল শিক্ষক। আন্তর্জাতিক শিক্ষা কর্মসূচির এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন।

25 December, 2022

রংপুর বিভাগীয় স্ক্র্যাবল চ্যাম্পিয়নশীপ- ২০২২ অনুষ্ঠিত ।



২৫ ডিসেম্বর ২০২২, রবিবার,  লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বানীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে অত্যন্ত জাকজমক ভাবে রংপুর বিভাগীয় স্ক্র্যাবল চ্যাম্পিয়নশীপ- ২০২২ সুসম্পন্ন হয়েছে। রংপুর, লালমনিরহাট, আদিতমারী, কালীগঞ্জ ও হাতীবান্ধার উপজেলার  ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২১৬ জন শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করে। ইংরেজি বিষয়ে দক্ষতা লাভে প্রচলিত এই খেলায় রংপুর বিভাগে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছে উঠেছে এই খেলাটি। শিক্ষার্থীর শব্দভান্ডার খুব সহজেই সমৃদ্ধতা পায়।  বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১০০ জন শিক্ষক ও অভিভাবক এটি উপভোগ করেছেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, তরুন প্রজন্মের আইকন বিশিষ্ট সমাজ সেবক, লালমনিরহাট জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব রাকিবুজ্জামান আহমেদ । এই আয়োজনটি সংগঠিত করেন কমবাইন্ড স্মার্ট স্কুল।

Dr. Chandana High School


সকাল ১০টায় জাতীয় সঙ্গীতের পর বাংলাদেশ স্ক্র্যাবল এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি জনাব মোঃ জাকির হোসেন আয়োজনের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন। এর পর একদল শিক্ষার্থী স্ক্র্যাবল বিষয়ের উপর একটি প্রকল্প উপস্থাপন করেন। এর পর লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ৫৪টি টেবিলে খেলা চলে মোট ৭টি পর্বের পর চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হলে করিম আল শাফিন চ্যাম্পিয়ন, আরিফুজ্জামান আকাশ রানার আপ, নুর আলম সামিন ১ম রানার আপ ও মোঃ রাকিবুল ইসলাম ২য় রানার-আপ হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে। এছাড়াও প্রাপ্ত সর্বোচ্চ নম্বরের ভিত্তিতে মোট ২০ জন শিক্ষার্থী পুরস্কার লাভ করে। দিনব্যাপী এই আয়োজনের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ স্ক্র্যাবল এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব খুরশীদুজ্জামান আহমেদ।
 

24 December, 2022

Country Ambassador applications are now open!

 


Applications are now open! 🥳

At T4 Education, we are driven by the passion for improving the quality of education globally so that students in every corner of the world can access a good education. To achieve this ambitious vision, we are in search of teachers and education advocates. Ambassadors, like you, who are motivated, committed and as passionate about education as we are, to collaborate with us and promote our activities in your countries.  

 

Please do not be discouraged from applying if you feel you do not have a lot of experience working in education. There is no ‘one-size’ Country Ambassador.

Here's how to apply

We are using Microsoft Forms for the online application form and the application pack will prepare you to complete the form. Please read the guide and collate the information you need before you begin the application process.
 
The deadline for submitting your application is 23:59 GMT Sunday 8th January 2023. Please check your local time with this custom timeanddate.com link to ensure you do not miss the deadline.
 
Please note, it will not be possible for our small team to feedback individually to each applicant. Only shortlisted applicants will be contacted and we will announce our 2023 cohort on social media and on our website in early February. 


APPLICATION LINK:  https://bit.ly/3YO8wF6 

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে ১২৫ কর্মী নিয়োগ

 কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ৯ ক্যাটাগরির পদে ১২৫ জন কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম ও সংখ্যা: ক্যাশিয়ার, ৭টি

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাণিজ্য বিভাগে এইচএসসি বা সমমান পাস।

বেতন স্কেল: ৯,৩০০–২২, ৪৯০ টাকা 

পদের নাম ও সংখ্যা: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, ২১টি

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অন্যূন দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএতে এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা।

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২, ৪৯০ টাকা

পদের নাম ও সংখ্যা: স্টোর কিপার, ৭টি

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস।

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২, ৪৯০ টাকা

পদের নাম ও সংখ্যা: ট্রেসার, ১৪টি

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি বা সমমান পাস অথবা বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পাসসহ অনুমোদিত কারিগরি প্রতিষ্ঠান থেকে ন্যূনপক্ষে ছয় মাসের ট্রেড কোর্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।

বেতন স্কেল: ৯,০০০-২১, ৮০০ টাকা

পদের নাম ও সংখ্যা: অ্যামোনিয়া প্রিন্টার, ৫টি

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস।

বেতন স্কেল: ৯,০০০-২১, ৮০০ টাকা

পদের নাম ও সংখ্যা: ফিল্ডম্যান, ৪টি

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমান পাস।

বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০, ০১০ টাকা

পদের নাম ও সংখ্যা: অফিস সহায়ক, ৫৮টি

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি পাস।

বেতন স্কেল: ৮,২০০-২০, ০১০ টাকা 

পদের নাম ও সংখ্যা: নিরাপত্তা প্রহরী, ৭টি

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি পাস।

বেতন স্কেল: ৮,২০০-২০, ০১০ টাকা

পদের নাম ও সংখ্যা: পরিচ্ছন্নতা কর্মী, ২টি

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি পাস। সংশ্লিষ্ট কাজে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বেতন স্কেল: ৮,২০০-২০, ০১০ টাকা

বয়সসীমা: ১৮ থেকে ৩০ বছর। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩২ বছর।

আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীদের http://srdi.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইটে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদনপদ্ধতি, ফি জমাদান ও নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য http://srdi.teletalk.com.bd/docs/circular.pdf এই লিংকে জানা যাবে।

আবেদনের সময়সীমা: ২৬ ডিসেম্বর ২০২২ থেকে ১৮ জানুয়ারি ২০২৩।

দৈনিকশিক্ষা

Popular Posts