01 April, 2020

আজ ১লা এপ্রিল। এপ্রিল ফুল দিবস, প্রতি বছর এপ্রিল মাসের প্রথম দিন পালিত হওয়া একটি দিবস।

মোঃ আব্দুল মজিদ
আজ ১লা এপ্রিল। এপ্রিল ফুল দিবস প্রতিবছর এপ্রিল মাসের প্রথম দিন পালিত হওয়া একটি দিবস। এপ্রিল ফুল মানে কি? এপ্রিল হল ইংরেজি সনের ৪র্থ মাস আর ফুল মানে বোকা। সুতরাং এর অর্থ দাড়ায় এপ্রিলের বোকা। মাঝে মাঝে একে সকলকে বোকা বানানোর দিন বলে উদযাপন করা হয়। এই দিন প্রতিবেশীদের উপর কৌতুক করার জন্য একটি দিন হিসাবে সর্বত্র স্বীকৃত। এপ্রিল ফুলস ডে এর কিছু প্রিকার্সর হলো, এটি রোমান হিলারিয়া উৎসব, ভারতের হোলি উৎসব, এবং এর মধ্যযুগীয় ফুল ফিস্ট জড়িত। যুক্তরাজ্যে এপ্রিল ফুলের দিন প্রাপককে অর্থাৎ যিনি এপ্রিলের বোকা হন তাকে "এপ্রিল ফুল!" বলে হাসি তামাশা ও চিৎকার করে প্রকাশ করা হয়।
ইরানে পার্সি ক্যালেন্ডার অনুসারে নববর্ষের ১৩তম দিনে আনন্দ মজা করা হয়। এই দিন গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে ১লা এপ্রিল ও ২রা এপ্রিল সদৃশ্য। ঐতিহাসিকদের মতে, ১৫৬৪ সালে ফ্রান্সে নতুন ক্যালেন্ডার চালু করাকে কেন্দ্র করে এপ্রিল ফুল ডে'র সুচনা হয়। ঐ ক্যালেন্ডারে ১লা এপ্রিলের পরিবর্তে ১লা জানুয়ারীকে নতুন বছরের প্রথম দিন হিসেবে গণনার সিদ্ধান্ত নেয়া হলে কিছু লোক তার বিরোধিতা করে। যারা পুরনো ক্যালেণ্ডার অনুযায়ী ১লা এপ্রিলকেই নববর্ষের ১ম দিন ধরে দিন গণনা করে আসছিল, তাদেরকে প্রতি বছর ১লা এপ্রিলে বোকা উপাধি দেয়া হতো।
#এপ্রিল ফুলের করুণ ইতিহাস:-
১৪৯২ খৃষ্টাব্দের ১লা এপ্রিল। স্পেনের রাজধানী গ্রানাডার খৃষ্টান রাজা ফার্ডিন্যান্ড ও পর্তুগীজ রানী ইসাবেলার বাহিনী আক্রমন করলে, মুসলমানদের তীব্র প্রতিবাধে তেমন সুবিধা করতে পারে না। তখন তারা মুসলমানদের অবরোধ করে রাখে। পরিশেষে সমঝোতা হিসেবে মুসলমানদেরকে আত্বরক্ষার সুযোগ দেওয়ার কথা বলে তারা ঘোষণা করে মুসলমানদের যারা অস্ত্র ত্যাগ করে মসজিদে আশ্রয় নিবে, তাদেরকে পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া হবে এবং যারা নৌ জাহাজে আশ্রয় নিবে তাদের অন্য মুসলিম দেশে চলে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। সরলপ্রাণ মুসলমানরা ধ্রুর্ত ফার্ডিন্যান্ড ও ইসাবেলার কুটচাল বুঝতে না পেরে অস্ত্র পরিত্যাগ করে মসজিদে ও জাহাজে গিয়ে আশ্রয় নেয়। তখন ফার্ডিন্যান্ডের নির্দেশে তার বাহিনী সমস্ত মসজিদ তালাবদ্ধ করে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং জাহাজগুলোকে সমুদ্রের মাঝখানে নিয়ে কোনোটাতে আগুন আর কোনোটা ডুবিয়ে দেয়। ফলে সেদিন আগুনে পুড়ে ও সাগরে ডুবে সাত লক্ষ স্পেনিস মুসলমান এক সাথে নির্মমভাবে মৃত্যুবরন করেন।   
ঈমানদীপ্ত প্রাণগুলো ছটফট করছিলো এবং গ্রানাডার আকাশ বাতাস তাদের আর্ত চিৎকারে ভারি ও প্রকম্পিত হচ্ছিলো। তখন আনন্দের অতিশয্যে পাষন্ড ফার্নিন্যান্ড ইসাবেলাকে জড়িয়ে ধরে বললো-''Oh, muslim's how fool you are! '' ''ওহে মুসলিম তোরা এতো বোকা! ''
বিখ্যাত দার্শনিক জর্জ বার্নাড’শ বলেছিলেন, ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা ইতিহাস থেকে মানুষ শিক্ষা গ্রহন করে না’ । আমরা কি দার্শনিক বার্নাড’শ এর মতের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে সামনে এগুচ্ছি ? যে মুসলমানদের হত্যা করে খ্রিষ্টানরা এপ্রিল ফুলের জন্ম দিল, জীবন উৎসর্গকারী সেই মুসলমানদের উত্তরসূরী হয়ে আমরা এপ্রিল ফুল অনুষ্ঠান পালন করছি, একজন আরেকজনকে বোঁকা বানাচ্ছি, শুভেচ্ছা বিনিময় করছি । ধিক্কার আমাদের এমন কর্মকান্ডের ওপর ! ধিক্কার আমাদের এমন হীন চিন্তা-চেতনার উপর !! যে দিনটিকে গভীর ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ১৪৯৩ সালের গ্রানাডা ট্রাজেডীসহ গোটা বিশ্বের নির্যাতিত নিপীড়িত মুসলমানদের কল্যান কামনা করে উদযাপন করা উচিত সেই দিনটিকে আমরা হাসি ঠাট্টার মধ্যে কাটাই । সেদিনের স্পেনের মুসলমানদের করুন আর্তনাদ কি আমাদের কানে ঝংকারিত হয় না ? আমাদের বোধশক্তি কি চিরতরের জন্য ঘুমিয়ে পড়েছে ? আমাদের আবেগ, অনুভূতি কি ভোঁতা হয়ে পড়েছে ? আসুন, পহেলা এপ্রিলসহ অন্যান্য বিজাতীয় সংস্কৃতিকে ত্যাগ করে ইসলামের সংস্কৃতি এবং দেশীয় সংস্কৃতির চর্চা করি । আর এ পরিচয় সর্ব যুগেই সম্মানের হবে । আজ থেকে যেন আমাদের বৌদ্ধিক চেতনা জাগ্রত হয় ।
#সংগৃহীত
মোঃ আব্দুল মজিদ
 সহঃ শিক্ষক (গণিত)
ডাঃ চন্দনা উচ্চ বিদ্যালয়
কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট।

20 February, 2020

ডাঃ চন্দনা উচ্চ বিদ্যালয়ে সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত।

 আজ ২০শে ফেব্রুয়ারী, ২০২০ খ্রিঃ, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাধারণ জ্ঞানের চর্চা বৃদ্ধির লক্ষে ডাঃ চন্দনা উচ্চ বিদ্যালয়ে সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।  শিক্ষার্থীদের উদবুদ্ধ করার জন্য তাদেরকে পুরস্কৃতও করা হয়।



এই প্রতিযোগিতায় ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণির প্রায় তিনশত জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। ৪০ মিনিটের পরীক্ষার মাধ্যমে সম্পন্ন হয় প্রতিযোগিতা। যেখানে থাকে সাম্প্রতিক বিষয়াবলীর উপর বিভিন্ন প্রশ্ন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রতি শ্রেণি থেকে দুই জন করে মোট দশ জন কে বিজয়ী নির্বাচন করা হয়।

  বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন অত্র বিদ্যালয়ের সম্মানীত প্রধান  শিক্ষক জনাব ওয়ালীয়ার রহমান। আয়োজনটি নিয়ে তিনি বলেন, অবশ্যই এটা একটি ভালো উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের জন্য। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছোট বেলা থেকেই সাধারণ জ্ঞানের চর্চা হবে যা ভবিষ্যতে তাদের অনেক উপকৃত করবে বলে আমি মনে করি। তিনি এই প্রতিযোগিতাটি প্রতি মাসে বিদ্যালয়ে চলমান রাখার জন্য পরামর্শ প্রদান করেন।   

উল্লেখ্য যে, বিদ্যালয়ের প্রত্যাহিক সমাবেশ চলাকালে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোঃ আল আমিন প্রতি দিন ১০ টি করে সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের মাঝে উপস্থাপন করে। প্রতি মাস শেষে এই প্রশ্ন গুলো থেকে একটি সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীরা খুবই আনন্দ এবং আন্তরিকতার সাথে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।









ডাঃ চন্দনা উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী রবিউল ইসলাম ।

মোঃ রবিউল ইসলাম
মোঃ রবিউল ইসলাম ২০১৩ ইং সনে ডাঃ চন্দনা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস এস সি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়। সে অত্র বিদ্যালয়ের এস এস সি প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিল। বর্তমানে সে ওরিয়েন্ট ইয়াং সোসাইটির একজন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। তাছাড়া সে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত হয়ে মানুষের সহযোগিতা করে আসছে।

17 November, 2019

Ricieving ISA Award for Dr. Chandana High School, Lalmonirha, Bangladesh.

Ricieving ISA Award for Dr. Chandana High School
One hundred & sixty-eight institutions received the International School Award (ISA) under Connecting Classrooms program of the British Council for their outstanding performances in the academic year of 2018-2021.
The British Council handed over crests and certificates to School representatives at a formal ceremony held on Wednesday at the Banquet Hall of the Hotel Radisson Blue Water Garden in the capital.
Deputy Minister for Education Mohibul Hassan Chowdhoury Nowfel attended the event as the chief guest with Director of Education and English, British Council, Bangladesh, David Maynard in the chair.
Project Manager Schools, British Council Bangladesh Nusrat Jahan Milki moderated the session.
In his welcome speech, Director of Education and English, Bangladesh, David Maynard said that the Connecting Classroom is a partnership journey between schools to schools, teachers to teachers and students to students. It defines the shared activities of the schools on different learning issues based on the curriculum.
Teachers and students benefit by sharing best practices in developing collaborative activities. It has created a better and enhanced learning environment imparting a sense of internationalism and leadership among the students in the schools, he stated.
International School Award (ISA) is a celebration and recognition of collaborative activities of schools. It is very important to develop global teaching-learning trend among the teachers and students and to know the cultural values, tradition and heritage of the international partner schools said David Maynard.
He also said around 3000 schools of the country were registered with Connecting Classroom program of the British Council, Bangladesh. The organization offers face to face training and online courses for the teachers on different educational programs, including 21st-century core skills to improve professional skills and to ensure quality and sustainable teaching-learning.
The deputy minister of education said, “Quality education and the world-class education with the changing demand of technology and globalization are important for our children. The government has been working to ensure quality education in order to reach the SDGs target.” 
“There has been a revolutionary change in the education sector. Enrollment, girls’ education and pass rate in the public examinations have been increased. The government has fully focused on quality education and entire schools’ development. Teachers are the maker of all sorts of development and future generation. So, the government has given priority to uplift the livelihood of the teachers,” he said.
He also said that learning core skill is the demand for education in the present world.  Teachers and students across the globe are acquiring the skills and encouraged and inspired sharing and exchanging the collaborative education projects through Connecting Classroom program. It has created opportunities for young people to learn about and take consequent action on global issues as well as to develop their key transferable skills.
An award winner Kurshiduzzaman Ahmed, who was also a Head Teacher, Kaliganj Karim Uddin Public Pilot High School, Lalmonirhat said that practising ISA activity is really like a win-win situation.  It was very effective and goal-oriented. It was learning beyond the syllabus.



The ISA School Co-ordinator MD. ABDUL MAJID, Assistant Teacher (Mathematics) of DR. CHANDANA HIGH SCHOOL who received the ISA Award, said "ISA (International School Award) is international recognition of the successful implementation of practical learning and teaching of the subject. So it is very effective practical learning for all institutions.”
About 400 Teachers including Principal, Head Teachers, Education Officials, Policymakers, experts across the country joined the event.
A cultural program FOLLOWED, was performed by the students of Narayanganj Govt. Girls’ School in the event.
Photo exhibitions on international activities of the schools were also displayed in the event. Some 10 schools across the country set up stalls and displayed their collaborative learning activities documents with their international partner schools.

26 January, 2019

লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জে ডাঃ চন্দনা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরিক্ষার্থীদের বিদায় ও নবাগত শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ।


আজ ২৬ জানুয়ারি (শনিবার) লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জে ডাঃ চন্দনা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরিক্ষার্থীদের বিদায় ও ষষ্ঠ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীণ বরন অনুষ্ঠান ২০১৯ অনুষ্ঠিত হয় । বেলা ১টার দিকে বিদ্যালয় চত্বরে এ বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব গোলাম মর্তুজা হানিফ, সাবেক চেয়ারম্যান, ১ নং ভোটমারী ইউনিয়ন পরিষদ, কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট ও সভাপতি, মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদ, রংপুর ।  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মাইবুবুজ্জামান আহমেদ, চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব অ্যাডভোকেট রফিক হাসনাইন, পি পি, নারী ও শিশু কোর্ট, রংপুর, জনাব আহাদুল হোসেন চৌধুরী, চেয়ারম্যান, ১ নং ভোটমারী ইউনিয়ন পরিষদ, কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট, জনাব মোস্থাফিজার রহমান মোস্তা, দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কালীগঞ্জ উপজেলা শাখা, লালমনিরহাট  উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য অভিভাবকবৃন্দ। অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব ওয়ালীয়ার রহমান তার স্বাগত বক্তব্যে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরেন এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন । প্রধান অতিথি জনাব মাহবুবুজ্জামান আহমেদ বলেন,  তোমরা এমনভাবে পরীক্ষা দিবে যাতে তোমরা তোমাদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পার এবং তোমাদের বাবা-মা, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষসহ সকলের মুখ হাসির মাধ্যমে উজ্জল করতে পার। তাছাড়া তিনি অত্র বিদ্যালয়সহ এলাকার জন্য যে সার্বিক উন্নয়ন সহায়তা করছেন তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি জনাব আলহাজ্ব গোলাম মর্তুজা হানিফ বলেন, “শিক্ষা নিয়ে গড়ব দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে এবং এক বিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আমাদের শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত করতে হবে । তিনি শিক্ষার্থীদের জুয়া, সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করার জন্য আহবান জানান ।  আরও বক্তব্য প্রদান করেন জনাব আহাদুল হোসেন চৌধুরী,  জনাব মোস্তাফিজার  রহমান মোস্তা, জনাব রাশেদুল ইসলাম প্রমুখ  এবার বিদ্যালয়ের মোট পরীক্ষার্থী ৮৮ জন । এর মধ্যে মেয়ে ৬২ জন ও ছেলে ২৬ জন। বিজ্ঞানে ১৫ জন এবং মানবিকে ৭৩ জন ।
বক্তব্য শেষে বিদায়ী ছাত্র-ছাত্রীদের সফলতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন অত্র বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক জনাব আইয়ুব আলী ।   

ICT4E, রংপুর বিভাগীয় অ্যাম্বাসেডরদের দিনব্যাপী মিলন মেলা " স্বপ্ন সত্যির আসর ২০১৯" অনুষ্ঠিত ।

ICT4E, রংপুর বিভাগীয় অ্যাম্বাসেডরদের দিনব্যাপী মিলন মেলা " স্বপ্ন সত্যির আসর ২০১৯" লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। কালীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব রবিউল হাসান স্যারের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনাব কবির হোসেন স্যার, সহযোগী অধ্যাপক, সংযুক্ত কর্মকর্তা এটুআই, জনাব রফিকুল ইসলাম সুজন স্যার, এডুকেশনাল টেকনোলজি এক্সপার্ট, এটুআই,জনাব আমিনুর রহমান স্যার, সহকারী অধ্যাপক, ঢাকা কলেজ, জনাব গোলাম আহমেদ ফারুক স্যার, সহযোগী অধ্যাপক, রংপুর টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, জনাব জাহাঙ্গীর হাসান স্যার, সহযোগী অধ্যাপক, রংপুর টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, আফরোজা বেগম ম্যাডাম, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার, কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট, লিপিকা দত্ত ম্যাডাম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, লালমনিরহাট সদর  এ ছাড়াও রংপুর বিভাগের ৮ জেলা থেকে আগত জেলা অ্যাম্বাসেডর শিক্ষক, আইসিটি শিক্ষক এবং প্রতিশ্রুতিশীল শিক্ষক ফোরাম, কালীগঞ্জ এর সহ প্রায় ২৫০ জন শিক্ষক উক্ত  স্বপ্ন সত্যির আসরে উপস্থিত ছিলেন । জনাব রফিকুল ইসলাম স্যার, স্বপ্ন সত্যির আসরে বলেন,  শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে নিজেরদের উদ্ভাবনী ধারণাকে কাজে লাগিয়ে গ্রীন এন্ড ক্লীন স্কুল তৈরি করার মাধ্যমে সকল শিক্ষার্থী যেন মানব সম্পদে পরিণত হয় এই চেষ্টা অব্যাহত রাখার জন্য অ্যাম্বেসেডর শিক্ষকসহ সকল শিক্ষকদের পরামর্শ দেন।  তিনি আরও বলেন,  শুধু মাত্র পরিক্ষায় ভালো ফলাফল হলে বা এ+ পেলেই গুনগত শিক্ষা অর্জন হবে না । আমাদের শিক্ষার রোল মডেল তৈরি করতে হবে, আর এ রোল মডেল তৈরি করতে হলে শিক্ষার্থীদের Critical Thinking, Collaboration, Creativity, Communication, Citizenship/ Culture, Character Education/ Connectivity এই ৬ টি বিষয় সম্পর্কে অবশ্যই  দক্ষতা অর্জনের জন্য আমাদের কাজ করতে হবে ।

07 December, 2018

দৈনিক প্রত্যাহিক সমাবেশের নিয়মাবলী ও প্রয়োজনীতা


 ভূমিকা: শারীরিক শিক্ষার আবশ্যিক কর্মসূচির মধ্যে প্রাত্যহিক সমাবেশ একটি। বিদ্যালয়ে এর গুরুত্ব অপরিসীম। প্রাত্যহিক সমাবেশের  মধ্য দিয়ে প্রতিদিন বিদ্যালয়ের কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে  দলীয় সমঝোতা এবং দেশপ্রেম জাগ্রত করার ক্ষেত্রে এর ভূমিকা  অপরিসীম ও অনিবার্য। বিদ্যালয়ের সামনে খোলা জায়গায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ব্যবস্থা থাকবে।

 দৈনিক প্রত্যাহিক সমাবেশের নিয়মাবলী
১। বিদ্যালয়ের দৈনিক প্রত্যাহিক সমাবেশে প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকর্মীবৃন্দ এবং সকল শিক্ষার্থীর উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক।

২। সাধারনতঃ সুস্ক মৌসুমে বিদ্যালয়ের উন্মুক্ত প্রাঙ্গনে এবং বর্ষা মৌসুমে প্রতিকূল আবহাওয়ায় বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে, বারান্দায়, কিংবা শ্রেনী কক্ষে দৈনিক প্রত্যাহিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে পারে।

৩। জাতীয় পতাকা সামনে রেখে শিক্ষার্থী লাইন ও ফাইলে সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়াবে। প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষক বৃন্দ পতাকা ও শিক্ষার্থীদের সম্মুখে রেখে দৈনিক প্রত্যাহিক সমাবেশে দাড়াবেন।

৪। পতাকার বাম পাশে প্রধান শিক্ষক,ডান পাশে শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক ,তার ডান পাশে বিদ্যালয়ের ক্যাপ্টেন শ্রেণির দিকে  মুখ করে দাঁড়াবে।

৫। দৈনিক সমাবেশের লাইন ও ফাইল শ্রেনী ভিত্তিক হতে হবে।

৬। প্রতিষ্ঠানের কাব শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষক কতৃর্ক মনোনীত বা নিযুক্ত কোন শিক্ষক দৈনিক প্রত্যাহিক সমাবেশ পরিচালনা করবেন।

৭। দৈনিক  সমাবেশের লাইন ও ফাইল ঊচ্চতা অনুযায়ী সামনে  ছোট থেকে পেছনে বড় সাজিয়ে দাড়াতে হবে।

৮। প্রতিষ্ঠানের কোন ব্যাক্তি / শিক্ষার্থী সমাবেশ ক্লাসের জাতিয় সঙ্গিত শুরু হওয়ার পর পরই যদি ক্যাম্পাসে আসতে বা যেতে থাকে এমন অবস্থায় তার কানে জাতীয় সংগিতের সুর প্রবেশ করা মাত্র সেখানে দাঁড়িয়ে যাবে এবং জাতীয় সংগিত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দন্ডায়মান থাকবে। জাতীয় সংগিত সবাই এক সংগে গাইবে।

৯। কোরআন তেলোয়াত বা পবিত্র গ্রন্থ থেকে পাঠ এক জন করবে, তার সঙ্গে শুনে শুনে সবাই নিজ ধর্ম অনুযায়ী নীরবে তেলোয়াত বা পাঠ করবে ।

১০।  ৫ মিনিটের জন্য শরীর চর্চা অনুশীলন (পি,টি )। এমন কোন শরীর চর্চা করানো যাবে না  যাতে জামা কাপড়ে মাটি লাগার সম্ভাবনা থাকে।                                                                        
১১। তারপর শারীরিক শিক্ষকের নির্দেশে শ্রেণি ক্যাপ্টেনের তত্ত্বাবধানে সারিবদ্ধভাবে ক্লাশে যাবে।                                                                                  

১২। শারীরিক শিক্ষকের নির্দেশে বিদ্যালয়ের ক্যাপ্টিন সমাবেশ পরিচলনা করবে।  

১৩। প্রতিষ্ঠান প্রধানের ভাষণ (প্রয়োজন বোধে) ।
   
                       
সমাবেশের প্রয়োজনীয়তা :

১। শিক্ষার্থীদের মধ্যে দলীয় মনোভাব ও  সমঝোতা বৃদ্ধি করে।                              
২। জাতীয় চেতনা ,জাতীয়তা বোধ এবং দেশপ্রেম জাগ্রত হয়।                                                      
৩। সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটায়।                                                                          
৪। সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব বৃদ্ধি পায়।                                                                                       
৫। দেহ ও মনে  সুস্থ  জীবন - যাপন করতে পারে।

Popular Posts